নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত প্রধানমন্ত্রীকে অবসরে যেতে হবে: মির্জা ফখরুল

জয়যাত্রা ডট কম : 03/09/2017

ডেস্ক রিপোর্ট : মামলা-হামলা দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের পর্যুদস্ত করার চেষ্টা করা হলেও তারা কেউ দল ছেড়ে যাননি। দলের সমর্থকরাও দলের সঙ্গেই আছেন বলে দাবি করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি জোর দিয়ে বলেছেন,একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সংলাপে বসতে বাধ্য হবে বা সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে। এর কোনও বিকল্প দেখছেন না তিনি। তিনি বলেন, ‘সংলাপেই সমাধান হবে। ২০১৪ সালে সরকার সংলাপ করবে না বলে অনড় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সংলাপে এসেছিল।’

৩০ আগস্ট বুধবার রাজধানীর নয়া পল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নিজ কক্ষে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব আশাবাদ ব্যক্ত করেন মির্জা ফখরুল। এসময় মির্জা ফখরুল বিএনপির ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, দলটির সাংগঠনিক পরিস্থিতি, আন্দোলন, আগামী নির্বাচন ভাবনাসহ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দাবি করেন, গত ৯ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকলেও বিশেষ করে ১০ম জাতীয় সংসদের বাইরে থাকলেও রাজনৈতিক সাফল্য অন্যত্র। তিনি মনে করেন, এত কিছুর পরও ২০১৪ সালের নির্বাচনে দেশের বেশিরভাগ দল নির্বাচনে অংশ নেয়নি এটাই বিএনপির গত কয়েকবছরে সবচেয়ে বড় সাফল্য।

বিষয়টির ব্যাখ্যা করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, রাজনীতিতে প্রতিটি দলের চিন্তা ভাবনার ভিন্নতা থাকবেই। আমি আপনাদের বলছি, জাতীর প্রয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। একমাত্র গৃহপালিত বিরোধী দল ছাড়া ২০১৪ সালের নির্বাচন সবাই মিলে বর্জন করেছে। এগুলো এই দলগুলোর দায়িত্বশীলতার পরিচয়।

নতুন করে আন্দোলনে যাওয়ার জন্য বিএনপির প্রস্তুতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষক এবং গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনকারী বীরউত্তম জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন একটা বিশেষ সময়ে। সময়টা ছিল গণতন্ত্র যখন হনন হয়ে গিয়েছিল।এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা যখন ছিল সেই সময়ে সেই জায়গাটির উত্তরণ ঘটিয়ে বহুদলীয় গণতন্ত্রের ব্যবস্থা করেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তখন যে রাজনৈতিক শূন্যতা বিরাজ করেছিল, যে একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ছিলো, সেই প্রয়োজনেই সেদিন স্বাধীনতাকামী, গণতন্ত্রকামী বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবার জন্য শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেদিন সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করেছিলেন।’

তিনি বলেন, ‘ মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা, গণতন্ত্রের চর্চা করা। মানুষের অধিকারগুলোকে পুরোপুরিভাবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা। আমরা সবাই জানি,জিয়াউর রহমান সেদিন বিএনপি প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশে একটা মৌলিক পরিবর্তন এনে দিয়েছিল।সে পরিবর্তন শুধু রাজনৈতিক নয়, একইসঙ্গে সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনও সংঘটিত হয়েছিল। আমরা এটাও জানি,এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে পরবর্তীকালে যে সংসদীয় গণতন্ত্র এসেছে, সেটা বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়ার মাধ্যমে। এটাও জানি,বধ্য অর্থনীতি যেটা ঝুলিহীন তলানিতে ছিল, সেটাকে মুক্ত করে জনগণের মধ্যে একটা উদ্দীপনা সৃষ্টি করে, উন্নয়নের জোয়ার সৃষ্টি করে বিএনপির মাধ্যমে দেশে জাগরণ এনেছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। বিএনপি এমন একটি দল,যে দলটি যুগের প্রয়োজনে,কালের প্রয়োজনে, মানুষের প্রয়োজনে সৃষ্টি হয়েছিল। যার ফলেই আজকের এই ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরা খুব সোচ্চার কণ্ঠে,দৃঢ়তার সঙ্গে,আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে বলতে পারি বিএনপি হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে প্রিয় রাজনৈতিক দল,তাদের হৃদয়ের কাছাকাছি একটি দল। কারণ, বাংলাদেশের মানুষের মনের যে আশা,তার প্রতিফলন ঘটায় বিএনপি।’

‘আমরা দেখেছি যে সবচেয়ে সংকটময় মূহুর্তগুলোতে বিএনপি কিন্তু তার জাতীয় দায়িত্ব পালন করেছে। আমরা দেখেছি,যখন গণতন্ত্র ধ্বংস হচ্ছিল তখন দেশকে স্বৈরাচার সরকারের কবল থেকে বের করে নিয়ে আসার জন্য খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দীর্ঘ ৯ বছর সংগ্রাম করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছিল বিএনপি।পরবর্তীতে আমরা যখন দেখেছি ১/১১ পরে একটি অবৈধ অনৈতিক সরকার চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল তার বিরুদ্ধে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া নীরবে এবং সরবে সংগ্রাম করেছেন। কারাবন্দি থেকেও সংগ্রাম করেছেন এবং তৎকালীন সরকারকে বাধ্য করেছেন জরুরি অবস্থা তুলে নিয়ে নির্বাচন দেওয়ার জন্য’, যোগ করেন তিনি।

বিএনপি কেন শক্তিশালী রাজনৈতিক দল তার ব্যাখ্যা দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘অনেকেই বলেছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পরে বিএনপি টিকবে না। কিন্তু বিএনপি টিকে গেছে। সুতরাং, বিএনপি শক্তিশালী দল। জিয়াউর রহমানের যে আদর্শ, তার ১৯ দফা কর্মসূচি, তার বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী যে দর্শন, এই দেশের মানুষের যে রাজনৈতিক চিন্তা, সামাজিক চিন্তা, অর্থনৈতিক চিন্তা তার সমস্ত কিছুর প্রতিফলন হয়েছে বিএনপির রাজনীতির মধ্য দিয়ে। যে কারণে,বিএনপি একটি শক্তিশালী দল।’

বিএনপিকে ভাঙার ষড়যন্ত্রের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই জানি, বিএনপিকে বহুবার চেষ্টা করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত করার, বিলুপ্ত করার। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি কারণ,বিএনপির শক্তি হচ্ছে এ দেশের জনগণ,এ দেশের মানুষ। আজকে আমরা যখন পেছনে ফিরে তাকাই,তখন দেখি যে বারবার আমাদের ওপর আঘাত এসেছে। কিন্তু সে আঘাত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দল প্রতিহত করেছে,মোকাবিলা করেছে এবং নতুন করে বিএনপিকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এই ফ্যাসিস্ট সরকার, পুরোপুরিভাবে অবৈধ সরকার যেভাবে বাংলাদেশের মানুষের বুকে চেপে বসেছে, এ সরকার যত অনৈতিক কাজ করছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে বিএনপি সংগ্রাম করে চলেছে। অনেক ক্ষতি হয়েছে গত ৮ বছরে বিএনপির। হাজার কর্মী হারিয়েছে বিএনপি, হাজার হাজার কর্মীকে গুম করা হয়েছে। মামলা করে তৃণমূল পর্যায়ের কর্মীদেরও হয়রানি করা হয়েছে। তারপরও কিন্তু বিএনপি থেকে একজন মানুষও সরে যায়নি। এটাই বিএনপির সার্থকতা।’

এতে বিএনপি দুর্বল হয়েছে কি না এমন প্রশ্নে ফখরুলের উত্তর,‘একটুও দুর্বল হয়নি বিএনপি। এখন যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, তবে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে আমাদের দল। কারণ,প্রতিটি ঘরে ঘরে মানুষের একটাই কথা,নির্বাচন চাই-ভোট দিতে চাই।’

আপনি বলেছেন দেশের সংকটময় সময়ে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।শুরুতে বিএনপির যে লক্ষ্য ছিল সেই লক্ষ্যে কি বিএনপি সঠিকভাবে চলছে? আপনি কি ভাবছেন?

এর উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন,‘গণতন্ত্রতো আমরা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম। তারপর গণতন্ত্র হত্যা করা হয়েছে, গণতন্ত্র হনন করা হয়েছে। তারপরে আওয়ামী লীগ এখন একটা চরম ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী সরকার পরিচালনা করছে। তারপরও আমরা এখন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছি। এই যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এতোদূর পর্যন্ত এসেছি,এটাই তো অর্জন। বিএনপি যতটা অর্জন করেছে তার পুরোটাই আওয়ামী লীগ গত ৮ বছরে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায়ের পর্যবেক্ষণ বিষয়ে প্রশ্নে বিএনপির মহাসচিব বলেন,‘আমরা কথার ভিত্তিতে কাজ করি না, আমরা বাস্তবতার ভিত্তিতে কাজ করি। আমরা এতটুকু বলতে পারি, বাংলাদেশের বাস্তবতার প্রতিফলন এই রায়ের মাধ্যমে ঘটেছে। এ রায়ে যে কথাগুলো বলা হয়েছে, তা অনেক জরুরি ছিল।আমরা বলছি যে গণতন্ত্রের লেশমাত্র এখানে নাই। এখানে আমিত্ব, দাম্ভিকতা এমনভাবে প্রকাশ পেয়েছে যে সাধারণ মানুষের কোন অবস্থা নেই। রায়ে তার প্রতিফলন আছে।’

আলাপে-আলাপে মির্জা ফখরুল জানান, ‘সহায়ক সরকারের রূপরেখা সময়মতো জানিয়ে দেওয়া হবে। এর জন্য কোনও দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। তিনি বলেন, প্রত্যেকেই তার কৌশল অনুযায়ী পরিকল্পনা উপস্থাপন করে। আমাদের ক্ষেত্রেও তাই হবে।’

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে আদালতে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন,‘এগুলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে হয়। আমরা তা বিশ্বাস করি। যে কারণে আমরা মামলা মোকাদ্দমায় যাইনি। আমরা এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে মামলা-মোকাদ্দমায় কম গিয়েছি। যদি প্রয়োজন হয় লিগ্যালি যেতে, তবে যাবো।’

বিএনপির সঙ্গে সরকারের সংলাপে বসার সম্ভাবনা কতটা? কি মনে করেন আপনি? জবাবে ফখরুল বলেন,‘নিবার্চন ২০১৮ বা ১৯ শেষেই হবে। কিন্তু,এ নির্বাচন ২০১৪ –র মতো হবে না। সরকারকে অবশ্যই নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে হবেই। তা না হলে এটা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। দ্বিতীয়ত, সংলাপ হবে নতুবা নিরপেক্ষ নির্বাচন দিতে হবে। ২০১৪ সালের আগেও তারা বলেছিল সংলাপ হবে না। শেষ পর্যন্ত সংলাপে এসেছিল।’

সরকার তো নির্বাচন করবেই বলছে। তাহলে আশঙ্কা কেন? মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের সমস্ত অভিজ্ঞতা দিয়ে বলছি, আমাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা দিয়ে বলছি, একটা নির্বাচন করেছে…মোটামুটি মেনে নিয়েছি ঠিক আছে। আরেকটা নির্বাচন যদি ঐ একইভাবে করতে চায়,তবে পৃথিবীর কোথাও সেটা মেনে নেবে না।’

তাহলে কোন পদ্ধতিতে নির্বাচনের কথা বলছেন? বিএনপির মহাসচিব বলেন,‘প্রথমেই নির্বাচনকালীন সময়ে সরকারকে হতে হবে নিরপেক্ষ। যদি ঐ সময় বর্তমান সংসদ ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বে থাকেন তবে হবে না। যেদিন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে, সেসময় তাকে অবসর নিতে হবে। এসব শর্ত কিন্ত আমাদের না। এসব হচ্ছে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্বশর্ত।’

এসময় নির্বাচন কমিশনের বিষয়ে দলীয় পরিকল্পনার কথাও বলেন ফখরুল। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যেই বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ইসি নিয়ে দলের বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি যদি দাবি হয়, সেক্ষেত্রে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হতে পারে। কারণ, সংবিধানের ৫৭ ধারার ৩ উপধারায় বলা আছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীকে স্বীয় পদে বহাল থাকিতে এই অনুচ্ছেদের কোনও কিছুই অযোগ্য করিবে না।’  অর্থাৎ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ততক্ষণ পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকলে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর কাছে তিনিই ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। সেক্ষেত্রে কি করবেন?

জবাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,‘দাবি করেছি। সরকার চাইলেই হবে। এখানে তো জটিলতার কিছু নেই। এটা দু’দলের সমঝোতার ব্যাপার। সরকার ও বিরোধী দল যদি একমত হয় যে তারা একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন করবে, তাহলে এটা সম্ভব।’

কিন্তু সরকারের তরফে তো সংবিধানের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলা হচ্ছে? উত্তরে মির্জা ফখরুল বলেন,‘তারা কী বলছে,সেটা অন্য বিষয়।’

আন্দোলনের কথা বারবার বলা হয় দলের পক্ষ থেকে, কিন্তু বাস্তবে এর প্রতিফলন কি? উত্তরে ফখরুল বলেন,‘আন্দোলন, সংগঠন ও নির্বাচন এক সাথে করছি তো।’

ঈদের দিন কি করবেন? মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান,

এসময় ঢাকায় ঈদের নামাজ পড়ে দলীয় কর্মসূচি সেরে ঠাকুরগাঁওয়ে যাওয়ার কথা বলেন তিনি। আর জীবনের গরুর হাটে যাননি সে কথাও অনায়াসে জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন




সর্বশেষ সংবাদ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মো. হাফিজউদ্দিন
সম্পাদক - শরিফা নাজনীন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019