ইফতারসামগ্রী নিতে গিয়ে ১০ জনের মৃত্যু

জয়যাত্রা ডট কম : 16/05/2018

নিজস্ব প্রতিবেদক :

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় কেএসআরএম শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকের পক্ষ থেকে বিতরণ করা ইফতারসামগ্রী সংগ্রহ করতে গিয়ে হুড়াহুড়িতে পদদলিত হয়ে ১০ জন নারীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো কমপক্ষে ১৫ জন।

গতকাল সোমবার সকাল ৯টায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এর আগে ২০০৮ সালে একই স্থানে ইফতারসামগ্রী বিতরণের সময় হুড়াহুড়িতে সাতজন মারা যায়। ১০ বছরের ব্যবধানে একই মর্মান্তিক ঘটনা আবারও ঘটল।
উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা গ্রামে এই ইফতারসামগ্রী বিতরণ করছিলেন শিল্পপ্রতিষ্ঠান কেএসআরএমের মালিক মোহাম্মদ শাহজাহান। এই গ্রামেই তাঁর বাড়ি। বাড়ির কাছে কাদেরিযা মঈনুল উলুম দাখিল মাদরাসা মাঠে ওই ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছিল।

নিহতরা হলো সাতকানিয়ার খাগরিয়া ইউনিয়নের ভোরবাজার এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের স্ত্রী হাছিনা আক্তার (৩০), মহাজনপাড়ার নূর হোসেনের স্ত্রী রশিদা আক্তার (৫৪), একই উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের দক্ষিণ ঢেমশা মজিদ কম্পানিবাড়ী এলাকার মোহাম্মদ হাছান ড্রাইভারের স্ত্রী রিনা আক্তার (৩০), লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর কলাউজান রসুলাবাদপাড়ার আবদুস সালামের মেয়ে ফাতেমা বেগম (১৪), একই পাড়ার আবদুল হাফেজের স্ত্রী জ্যোত্স্না বেগম (২৫), উত্তর কলাউজান মমতাজ বাড়ির মোহাম্মদ শফির স্ত্রী নূরজাহান (২০), চন্দনাইশ উপজেলার দোহাজারী ইউনিয়নের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৬০), একই এলাকার আবুল কালামের স্ত্রী সাকি (২২), পার্বত্য জেলা বান্দরবানের সুয়ালক ইউনিয়নের কাইচতলী এলাকার মোহাম্মদ ইব্রাহীমের স্ত্রী নূর আয়েশা (৫৪)। এ ছাড়া আরো একজন মারা গেছেন। স্বজনরা দ্রুত মরদেহ নিয়ে যাওয়ায় পুলিশ তাঁর নাম-ঠিকানা জানাতে পারেনি।

১০ জনের মৃত্যুর সত্যতা পুলিশ ও কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় আহতদের সাতকানিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলো মোস্তফা খাতুন (৬০), নূর আয়েশা (৫০), হোসনে আরা (৪৫), জুনু মিয়া (৪০), রোকেয়া বেগম (৩৫), দিলুয়ারা বেগম (৪০), সাকিব (১২), হারুনা বেগম (৪০) ও জসিম উদ্দিন (৩৫)। এদের মধ্যে মোস্তফা খাতুনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত অন্যরা স্থানীয় ক্লিনিক এবং স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে।

ইফতারসামগ্রী নিতে আসা প্রত্যক্ষদর্শী জুনু আক্তার (৫০) কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমি ফজরের নামাজের পরপরই খাগরিয়া থেকে ইফতারসামগ্রী নিতে আসি। এখানে এসে দেখি, হাজার হাজার মানুষ। দীর্ঘ লাইন। আমি কিছুটা পেছনে ছিলাম। এর মধ্যে সকাল ৯টায় মাঠের পূর্ব দিকের গেট খুলে দিলে মানুষের হুড়াহুড়ি শুরু হয়। সেখানেই পদদলিত হয়ে মানুষের মৃত্যু হয়। ’ তিনি বলেন, ‘মানুষ হুড়াহুড়ি শুরু করলে ইফতারসামগ্রী বিতরণকারীদের পক্ষ থেকে মাইকে বলা হয়, আপনারা ধৈর্য ধরুন। সবার জন্য ইফতারসামগ্রী আছে। কেউ খালি হাতে যাবেন না। হুড়াহুড়ি করবেন না। এমন ঘোষণার পরও সাধারণ মানুষ তা শোনেনি। এ কারণেই মৃত্যু হয়েছে। ’ তিনি বলেন, ইফতারসামগ্রী নিতে আসা মানুষের মধ্যে বেশির ভাগই নারী। গেট খুলে দেওয়ার পর সেখানে থাকা পুলিশ সদস্যদের নিষেধও মানেনি লোকজন।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় নলুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার নূরুল আলম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সুশৃঙ্খলভাবে ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছিল। এরই মধ্যে অনেক মানুষ একসঙ্গে হুড়াহুড়ি শুরু করায় চাপে পড়ে এবং শ্বাসরোধ হয়ে হতাহতের এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। ’ তিনি আরো বলেন, ‘আয়োজক পক্ষ পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী নিয়োজিত করেছিল; কিন্তু তাঁরা এই বিপুলসংখ্যক মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। সাতকানিয়া থানার পুলিশও ছিল; কিন্তু তারাও এই বিপুলসংখ্যক মানুষকে সুশৃঙ্খল রাখতে পারেনি। ’

সরেজমিন : সাতকানিয়া উপজেলা থেকে পূর্ব গাটিয়াডেঙ্গা গ্রামের দূরত্ব সাত কিলোমিটার। সেখানে যাওয়ার সড়ক একটিই। সরু এই সড়কে একটি গাড়ি চলতে পারে। ইফতারসামগ্রী নিতে আসা লোকজনকে বহনকারী অটোরিকশার চাপে পুরো রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যায়। এরই মধ্যে খবর আসে মাদরাসা মাঠে ভিড়ের চাপে মানুষ মারা গেছে।

গতকাল দুপুরে সেখানে গিয়ে দেখা যায়, একটি সান বাঁধানো পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে শিল্পপতি মোহাম্মদ শাহজাহানের বাড়ি। উত্তর পাশে প্রায় দুই একর আয়তনের একটি মাঠ। মাদরাসার এই মাঠে শামিয়ানা টাঙানো। আর মসজিদের সামনে ইফতারসামগ্রীর প্যাকেটের স্তূপ। মাদরাসার নিচতলার একটি কক্ষে প্রবেশ করে দেখা যায়, সেখানে ৯ জন নারীর মরদেহ। পুলিশ এসব মরদেহ শনাক্ত করার কাজ করছিল। মৃতদেহের শরীরে নাম-ঠিকানা লিখে রাখা হচ্ছিল।

মাদরাসা মাঠ ও মোহাম্মদ শাহজাহানের বাড়ির আশপাশের লোকজন জানায়, সকাল ৯টা থেকে ইফতারসামগ্রী বিতরণের জন্য সব আয়োজন শেষ করা হয়। মাঠের দুই পাশে দুটি গেট এবং মোহাম্মদ শাহজাহানের বাড়ির গেট খুলে দেওয়া হয়। এ সময় অন্তত ৩০ হাজার মানুষ মাঠে লাইনে ও গেটের বাইরে অবস্থান করছিল। ইফতারসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের শুরুতেই মানুষের হুড়াহুড়িতে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। পরে মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে মাদরাসার একটি কক্ষে রাখা হয়। তবে এই মর্মান্তিক ঘটনার পরও প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা ইফতারসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে ইফতারসামগ্রী বিতরণ বন্ধ করে দেওয়া হলে হাজার হাজার মানুষ খালি হাতে ফিরে যায়। ইফতারসামগ্রী আবার বিতরণ করা হবে—এমন আশায় অনেকে বিকেল পর্যন্ত অপেক্ষায় ছিল। দারিদ্র্যক্লিষ্ট এসব নারীর অনেকের কোলে শিশুসন্তান ছিল।

খালি হাতে ফিরে যাওয়ার সময় চন্দনাইশের দোহাজারী ইউনিয়নের বাসিন্দা আবুল হান্নান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খালি হাতে ফিরে যাচ্ছি। অনেকেই মরেছে। আমি বেঁচে গেছি সেটাই ভাগ্য। ’ একই ইউনিয়নের রশিদা খাতুন ও নূর বেগম জানান, দরিদ্র বলেই ইফতারসামগ্রী নিতে এসেছিলেন। এখন খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। গাড়ি ভাড়া নেই বলে হেঁটেই বাড়ি যেতে হচ্ছে।

আগের দিন রাত থেকেই অপেক্ষায় ছিল মানুষ : স্থানীয়রা জানায়, ইফতারসামগ্রী বিতরণ হবে—এমন সংবাদ পেয়ে রবিবার সন্ধ্যা থেকেই লোকজন মোহাম্মদ শাহজাহানের বাড়ির আশপাশে অবস্থান নিতে শুরু করে। তারা রাতে সড়কের ধারে কিংবা মানুষের বাড়ির আঙিনায় বসে ছিল। আর শেষ রাতে দাঁড়িয়েছিল লাইনে। স্থানীয় একজন মুদি দোকানদার জানান, রবিবার সন্ধ্যা থেকেই লোকজন আসা শুরু করে। তাদের কেউ কেউ রাতে দোকান থেকে পাউরুটি-বিস্কুট কিনে খেয়েছিল। বহুদূর থেকে লোকজন আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) এ কে এম এমরান ভুঁইয়া কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সাতকানিয়া উপজেলা ছাড়াও আশপাশের চন্দনাইশ, বাঁশখালী, লোহাগাড়া ও পার্বত্য জেলা বান্দরবান থেকে লোকজন এসেছে। অন্তত ৩০ হাজার মানুষের সমাগম হয়েছিল। যাদের বেশির ভাগই নারী। ’

পুলিশের দাবি গরম ও শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যু : নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ একটি ফরমে তাদের পরিচয় লিখে রাখছিল। সেখানে মরদেহ শনাক্তকারী স্বজনদের পরিচয়ও লিখে রাখা হচ্ছিল। আর মৃত্যুর কারণ কলামে লেখা হয় ‘প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ের মাঝে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করিয়াছে। ’ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পুলিশ মৃত্যুর এমন কারণ লিখে রাখে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভিড়ে হুড়াহুড়িতে পদদলিত হয়ে এসব নারীর মৃত্যু হয়েছে।

যা ছিল ইফতারসামগ্রীর প্যাকেটে : ইফতারসামগ্রী বিতরণকারী শিল্পপতি মোহাম্মদ শাহাজাহান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রায় ২০ হাজার প্যাকেট করেছিলাম। এর চেয়েও বেশি মানুষ হলে তাদেরও দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। ’ প্যাকেটে কী ছিল জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্যাকেটে ছোলা, চাল, চিনি, লবণ, চিঁড়া, ডাল, পেঁয়াজ, খেসারি ডাল ইত্যাদি ছিল। এর সঙ্গে জনপ্রতি নগদ এক হাজার টাকা ও একটি শাড়ি দেওয়া হচ্ছিল। ’

ঘটনাস্থলে ডিসি-এসপি : হতাহতের ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে আসেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস ও পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা। সরেজমিন পরিদর্শনের পর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু এড়াতে প্রশাসন আগে থেকেই ব্যবস্থা নিয়ে আসছিল। কিন্তু এখানে ইফতারসামগ্রী বিতরণের খবর আগে থেকে প্রশাসনকে জানানো হয়নি। যদি প্রশাসনকে জানানো হতো তাহলে প্রশাসন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নিতে পারত। ’ তিনি বলেন, ‘অব্যবস্থাপনার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাশহুদুল কবিরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ’

সরেজমিনে অব্যবস্থাপনার চিত্র দেখেন জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা। তিনি বলেন, ‘অব্যবস্থাপনার কারণে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মরদেহের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ’

কেএসআরএম পরিচালকের ভাষ্য : ঘটনার বিষয়ে কেএসআরএমের পরিচালক শাহরিয়ার জাহান সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেন, তাঁদের কম্পানির পক্ষ থেকে প্রতিবছরের মতো এ বছরও দুস্থদের ইফতার ও জাকাত সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিতরণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এ জন্য প্রশাসনকে মৌখিকভাবে জানানো হয়। নারী পুলিশ সদস্যসহ ১০০ জন পুলিশ ও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ২০০ কর্মী বিতরণের কাজে অংশগ্রহণ করে। এ সময় তিন ডাক্তারও প্রস্তুত রাখা হয়।

কিন্তু ইফতারসামগ্রী বিতরণ শুরুর পরপরই হুড়াহুড়ি, তীব্র গরম, হিট স্ট্রোক ও শ্বাসকষ্টে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় হাসপাতালে নেওয়ার পথে ৯ জন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর একজন মারা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘এ ঘটনায় আমরা কম্পানির পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি। নিহতের প্রত্যেক পরিবারকে তিন লাখ করে টাকা দেওয়া হবে। আহতের চিকিৎসাব্যয় কম্পানি বহন করবে। এ ছাড়া নিহতদের পরিবারের কেউ চাকরি চাইলে তাদের কম্পানির পক্ষ থেকে চাকরির ব্যবস্থা করা হবে।

এদিকে ঘটনাস্থলে ১০০ জন পুলিশ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল বলে কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ দাবি করলেও সেই দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি। আগে থেকেই পুলিশকে এ বিষয়ে লিখিতভাবে সহযোগিতা চেয়ে কোনো পত্র দেয়নি কেএসআরএম কর্তৃপক্ষ। তবে মৌখিকভাবে সহযোগিতা চেয়েছিল সাতকানিয়া থানা পুলিশের কাছে। এ কারণে সাতকানিয়া থানা পুলিশ ১৫ জনের একটি পুলিশ দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন করেছিল। তাদের বেশির ভাই নারী পুলিশ সদস্য। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) এ কে এম এমরান ভূঁইয়া। কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘ইফতারসামগ্রী বিতরণের সময় ১৫ জনের একটি পুলিশ দল মোতায়েন ছিল। তারা প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে এটা আশা করা যায় না। অব্যবস্থাপনা ছিল বলেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ’ গতকাল বিকেল ৩টায় ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী। তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যদের চাকরি দেওয়ার জন্য কেএসআরএম কর্তৃপক্ষকে আমি বলেছি। তারা রাজি হয়েছে।

সূত্র : কালের কন্ঠ




সর্বশেষ সংবাদ

ব্যবস্থাপনা সম্পাদক: মো. হাফিজউদ্দিন
সম্পাদক - শরিফা নাজনীন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019