বিরিজডা একন হামাকেরে জন্যি মরণ ফাঁদ হয়্যা গেচে

জয়যাত্রা ডট কম : 31/03/2019

মো. আব্দুল ওয়াদুদ, বগুড়া প্রতিনিধি : মাঝে বড় আকারের ২টি গর্ত। দেখলে মনে হবে এটি কোন বাংকার কিংবা ম্যানহোল। মাঝ বরাবর ফাটলের প্রকোট চিহ্ন। নেই দুই পাশের রেলিং।

বলছি একটি ভগ্নদশা ও জরাজীর্ণ একটি ব্রীজের কথা। যেটি বগুড়া পৌরসভার ১৭ নং ওয়ার্ডের মাটিডালী হতে ধরমপুর এর সংযোগ সড়কের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রীজটি তার বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। ব্রীজে ওঠার আগেই বেশ বড় একটি গর্ত চোখে পড়ে।

যেটি স্থানীয় এলাকাবাসী মাটি ও বালি দিয়ে আপাতত ভরিয়ে রেখেছে। ব্রীজের প্রথমেই ২টি বড় আকারের গর্ত। গর্তদুটির চর্তুপাশে কিছু ইট স্তরে সাজিয়ে পথচারীদেরকে সচেতন করা হয়েছে যাতে কোন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা না ঘটে। ব্রীজটির মধ্যভাগে গিয়ে দেখা গেল বড় একটি ফাটলের চিহ্ন। যা দেখে অতি সহজেই বোঝা যায় ব্রীজটি ধসে পড়তে পারে যেকোন মুহুর্তে। এতে করে প্রাণহানীর আশংকা রয়েছে।

পাকিস্থান আমলের তৈরী এই ব্রীজ দিয়ে প্রতিদিন কয়েক’শ গাড়ি চলাচলের পাশাপাশি হাজার হাজার পথচারীরা যাতায়াত করে। সাইকেল ও সিএনজিতে চলাচল করে আশেপাশের স্কুলের প্রায় শ’খানেক শিক্ষার্থী। শতবর্ষী এই ব্রীজটির দুইধারে কোন রেলিং না থাকায় মাঝে মধ্যই গাড়ির নিয়ন্ত্রন হারিয়ে খাদে পরে ঘটছে দূর্ঘটনা। হতাহত হচ্ছে যাত্রীরা। ব্রীজটির ব্যাপারে এলাকার প্রবীন ব্যাক্তি গেদু মিয়া জানান, “হামি ছোটত থেকে এই ঢালায় করা ব্রীজ দেকে আসিচ্চি, হামার বাপ দাদার আমলে ইডে আগে আচলো বাঁশের সাঁকো।

তারপর থেকে এই বিরিজোত কোন কাজকাম হয়নি। বিরিজের ইটি উটি ভাংগে গেলে যুবকেরা ঠিক করিচ্চিলো। একন আরো চলাচল করায় যায় না। এক এক করে পার হওয়া লাগে। ইডে একন হামাকেরে জন্যে মরণ ফাঁদ হয়্যা গেচে।” প্রায় শতবর্ষ বয়সী এই ভাঙ্গাচোরা ব্রীজটি অতি তাড়াতাড়ি পূর্ননির্মান বা সংস্কার করা হোক এটাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবী জানিয়েছেন ধরমপুর ও মাটিডালীর এলাকাবাসী।

 




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক - তোফাজ্জল হোসেন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019