বরগুনা জেলা কারাগারে নানা অনিয়ম দুদকের অভিযান

জয়যাত্রা ডট কম : 04/09/2019


নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরগুনা জেলা কারাগারে নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছে দুদক। এছাড়াও জনগণকে হয়ারণী, ঘুষ কেলেঙ্কারী এবং নানাবিধ অনিয়মের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ২ জেলা প্রশাসক এবং ৭ উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে চিঠি দিয়েছে দুদক।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান।

তিনি দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে ১০৬ আগত ২টি অভিযোগের প্রেক্ষিতে সমন্বিত জেলা পটুয়াখালীর সহকারী পরিচালক মোঃ মোজাম্মিল হোসেনের নেতৃত্বে বুধবার এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে আগত স্বজনদের সাথে কথা বলে দুদক টিম।

কয়েকজন দর্শনার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান যে, বন্দীদের সাথে সাক্ষাত পাওয়ার জন্য জেল কর্তৃপক্ষকে তাদের ২০০/- টাকা ফি দিতে হয়েছে, যদিও কারা বিধি অনুযায়ী সাক্ষাতের জন্য কোন ফি নেওয়ার বিধান নেই।

তাছাড়া, বন্দীদের নিকট বাহির থেকে খাবার সরবরাহ করতে গেলেও টাকা দিতে হয় বলে জানান তারা। দুদক টিম কারাগারের খাবার সরবরাহ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখে। খাবার প্রদানে অনিয়ম এবং বাড়তি অর্থের বিনিময়ে স্বজনদের নিকট হতে খাবার সরবরাহের প্রাথমিক প্রমাণ পায় দুদক টিম।

টিম জানতে পারে, জেলখানার ভেতরে একটি ক্যান্টিন রয়েছে, সে ক্যান্টিন থেকে অতিরিক্ত দামে তরকারী ক্রয় করেন কারাবাসীরা। এছাড়াও সরকারীভাবে কারাবাসীদের যে খাবার সরবরাহ করা হয় তা মান সম্মত নয় মর্মে প্রতীয়মান হয়। রান্না করা খাবারের উপর মাছির প্রাদুর্ভাব লক্ষ করা যায়।

অভিযানে প্রাপ্ত অনিয়মসমূহ অবিলম্বে দূরীকরণে জেল সুপার-কে পরামর্শ প্রদান করে দুদক টিম। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে মর্মে জেল সুপার টিমকে আশ্বস্ত করেন।

বরগুনায় আয়কর রিটার্ন জমা বাবদ ঘুষ দাবি করে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে, কিশোরগঞ্জ সমাজসেবা অফিসে বিভিন্ন ভাতার টাকা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাতের অভিযোগে এবং কিশোরগঞ্জ সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের নিকট হতে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণের অভিযোগে যথাক্রমে প্রধান কার্যালয়, সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পটুয়াখালী এবং সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ময়মনসিংহ হতে আরও ৪টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

দুদক অভিযোগ কেন্দ্রে আগত সরকারি খাস জমি অবৈধভাবে দখলের অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক কমিশনকে অবহিত করার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সোনাগাজী, ফেনীকে পত্র প্রেরণ করা হয়। তৎপ্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) সার্ভেয়ার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাগণসহ সরেজমিন তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করেন।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, দক্ষিণ সাহাপুর মৌজায় পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফেনী -এর অধিগ্রহণকৃত জমি এবং সরকারি খাস জমিতে অবৈধভাবে দখলপূর্বক ভবন নির্মাণ করা হয়েছে।

বর্ণিত সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখলদার হতে উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফেনী এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি), সোনাগাজী, ফেনীকে নির্দেশনা প্রদানপূর্বক দুদককে অবহিত করা হয়। # একে




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক - তোফাজ্জল হোসেন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019