শতাব্দীর মহা নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান

জয়যাত্রা ডট কম : 13/06/2020

শতাব্দী থেকে শতাব্দীর অন্তর আরশে ১৯২০ সালে সতেরো মার্চে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে এক মহা সন্তানের জন্ম হয়ে ছিলো। এক মহীয়সী উন্নত বাঙালী মাতৃ জননীর কোলে ঐতিহাসিক মানবতার আলোর মশাল হাতে নিয়ে মানবজাতির মুক্তির নেশায় দুরন্ত বালক হাজার শতাব্দীতে একবার আসেন।শিশু বালক গোটা মানবজাতির অন্তর কান্নার শব্দ গীটার আপন হৃদয়পটে বেদনার সুর ঝংকার তুলেন। বিধাতার মহাশান এমন কিছু মহা সন্তান পাকপাঞ্জতন হইয়া একইসাথে নানা মায়ের কোলে মুক্তির পতাকা উড়াইবে বলে দল বেঁধে আসেন।

সুর ভৈরবীদের অন্তর আরশে লেগেছে মরুভূমির ত্যাগের সন্তানের পবিত্র মানবতার সুন্দর ছোঁয়া, নানা মায়ের নানা সন্তান সংগীত সাহিত্যে সকলে এক কন্ঠ এক সুর, মানবতার পাল উড়িয়ে সত্যের সন্ধানে এক সুরে দেয় শ্লোগান। সত্যবাদীরা বিধির আপন মহিমায় স্বর্গ থেকে আসেন। প্রথম বাঙালির সন্তান সত্যের সীমানা দাঁড়িয়ে তোলেন বাঙালীদের পক্ষে মৌলিক অধিকারের দাবি, রেসকোর্সে সাতে ই মার্চে আল্লাহর রাসুলের আদর্শ সামনে রেখে শাহাদাৎ আঙুল উঁচিয়ে বলে ছিলেন।

অধিকার থেকে স্বাধীকার এবং স্বাধিকার থেকে মহান স্বাধীনতার ডাক, যাঁর দেহের অন্তর ধমনীর রক্তকোষে দাউদাউ করে জ্বলছে অগ্নি স্ফুলিঙ্গের মত দাবানল। একটি রক্তের মঞ্চের উপরে উঠে বজ্রকন্ঠে দিলেন ঘোষণা, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। শিশু মুজিবের জন্মলগ্ন সতেরো মার্চ, যৌবনের রক্ত মঞ্চে সতেরো হয়েছে একাত্তর কুদরতি মহাশান। বঙ্গবন্ধুর জীবন আনন্দের স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষার লাল ফুল পবিত্র মহান স্বাধীনতা।

বাঙালী জাতির মুক্তির কালপুরুষের নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। শতাব্দীর অন্তরে জন্মে ছিলো এক মহা কবি, পৃথিবীর মানচিত্রে শত শহীদের রক্ত দিয়ে লিখেন একটি কবিতা স্বাধীন বাংলাদেশ। একটি কবিতার বৃক্ষের অন্তর ফোটে প্রস্ফুটিত হলো সতেরো কোটি লাল ফুল। সতেরো কোটি মানুষের হৃদয়ে উড়ছে লাল সবুজের শাণিত পতাকা,
আজ আমরা বাঙালীরা কৃতজ্ঞতা চিত্তে স্বীকার করছি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বাঙালী জাতির মুক্তির মহা অগ্রদূত।

সাম্যবাদের মহা নায়ক,মহা তন্ত্রের কালপুরুষ নক্ষত্রমন্ডলীর সদস্য স্বাধীন বাংলার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কালেকালে সত্য বাদীরা জীবন দিলেন ঘাতক বেঈমানদের হাতে কালের সাক্ষী ইতিহাস। সূচনায় হযরত হাবিলের রক্তে ত্যাগের পবিত্র শিখা কাবা, দ্বিতীয় কারবালা হযরত ইমাম হোসেনের রক্তে পবিত্র কোরআনের সত্য শিখা জ্যোতির আলো হয়ে জ্বলছে।

পবিত্র কাবা থেকে কারবালা এবং কারবালা থেকে বাংলা লাল সবুজের পতাকা উড়ছে। ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে শুধু রক্ত আর রক্ত শেষ বঙ্গবন্ধু মুজিবের রক্তে বাংলার স্বাধীনতা সত্যায়িত হলো। পশ্চিম আকাশে গোধূলী বেলাভূমিতে তাকালে আমার দেখতে পায় হযরত ইমাম হোসেনের রক্তের সাথে মিশে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রক্ত। শহীদ শেখ মুজিবুর রহমান বিজয়ের সনদ এনে দিয়ে অভিমানে চলে গেলেন।

বীরের চিত্তে শহীদ শেখ মুজিবুর রহমান সফর সঙ্গী সাথীদের নিয়ে যোগদান করলেন হযরত ইমাম হোসেনের স্বর্গীীয় মিছিলে। অমর কবি শেখ মুজিবুর রহমান বেঁচে থাকবে শতাব্দী থেকে শতাব্দীতে স্বাধীনতার লাল সবুজের পতাকার অন্তরে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীন বাংলার জাতির পিতা , আমরা বাঙালি জাতি সুগভীর চিত্তে তোমার কাছে চির ঋণী। অনন্তকাল তোমার সমীপে রইল শতসহস্র সালাম ও একরাশ সুগভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

লেখক: আলমগীর হোসেন




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক - তোফাজ্জল হোসেন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019