কোভিড-১৯ পরীক্ষা নিয়ে যত কথা এবং বাস্তবতা

জয়যাত্রা ডট কম : 15/07/2020

অধ্যাপক ডা. এমএ আজিজ : কোভিড-১৯ মোকাবিলায় দেশে প্রথম থেকেই শনাক্তকরণ পরীক্ষা কেন্দ্রের স্বল্পতা, রোগীর দীর্ঘ লাইন, পরীক্ষা করতে এসে পরীক্ষা করতে না পারা, রিপোর্টপ্রাপ্তির দীর্ঘসূত্রিতা, ফলাফলের ভিন্নতা, বারবার স্যাম্পল সংগ্রহ, ফি নির্ধারণ, র‌্যাপিড টেস্ট, সরকার ও রাজনৈতিক দলসমূহের ভূমিকা নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা চলে আসছে। এর সাথে যোগ হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেকেজি ও রিজেন্টের করোনা পরীক্ষা নিয়ে দুর্নীতি। আমি যদিও ল্যাব স্পেশালিস্ট নই, একজন চিকিৎসক হিসেবে বর্তমান সময়ে করোনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষিতে নিজের দায়িত্ববোধ ও অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লিখছি, আশা করি এ লেখা হতে অনেক পাঠক তার প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন।

নভেল করোনাভাইরাসের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক অদ্যাবধি একমাত্র স্বীকৃত, নির্ভরশীল এবং বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্য পরীক্ষা পদ্ধতি হলো ‘আরটি-পিসিআর (রিভার্স টান্সক্রিপশন রিয়েল টাইম পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন)’ যদিও এটি ব্যয়বহুল, সময়সাপেক্ষ! এ পরীক্ষায় ব্যক্তির কাছ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে নমুনা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় কেবল আরএনএ বের করা হয়। তারপর এক্সট্রাক্ট আরএনএকে রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পদ্ধতি ব্যবহার করে কমপ্লিলিমেন্টারি ডিএনএতে রূপান্তর করা হয় এবং পলিমারেজ চেইন রিএকশন (পিসিআর) ব্যবহার করে প্রাপ্ত ডিএনএর একটি অংশকে পরীক্ষা করে এটি SARS-CoV-2 এর জেনেটিক কোডের সাথে মিলয়ে দেখা হয়। সহজে বললেও পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপ রয়েছে যা অনেক জটিল। এ পরীক্ষাটি সম্পন্ন করতে ব্যবহৃত হয় ব্যয়বহুল ও জটিল মেশিন (যার সাথে আনুষঙ্গিক ১৫টি পার্টস রয়েছে এবং একটি মেশিনের মূল্য প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকা, কোম্পানি ও মডেলের ভিন্নতায় দামের তারতম্য হতে পারে), টেস্টিং কিট, প্রয়োজন বায়োসেফটি লেভেল-২ মাত্রার গবেষণাগার, দক্ষ ও বিশেষায়িত জনশক্তি।

করোনা শনাক্তকরণে পৃথিবীর কোনো পরীক্ষাই শতভাগ সঠিক ফলাফল নিশ্চিত করে না। আরটি-পিসিআরের ক্ষেত্রে ২৫-৩০% ফলস নেগেটিভ ফলাফল (করোনায় আক্রান্ত কিন্তু পরীক্ষায় আক্রান্ত-নন হিসেবে ফলাফল দেওয়া)। নমুনা সংগ্রহ, পরিবহন এবং পরীক্ষা করা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নিখুঁতভাবে সঠিক পদ্ধতিতে সম্পন্ন করতে হয়। কোনো একটি ধাপে কোনো ভুল বা ত্রুটির জন্য পরীক্ষার ফলাফলে ভিন্নতা আসতে পারে। বিশেষ করে নমুনা সংগ্রহ করতে হয় নাকের ভেতর দিয়ে গলার পেছনের নির্ধারিত জায়গা হতে। কোনো কারণে সঠিকভাবে এবং সঠিক স্থান হতে নমুনা সংগ্রহে ব্যর্থ হলে আবার নমুনা সংগ্রহ করতে হয়। এ জন্য কিছু কিছু ক্ষেত্রে বারবার নমুনা সংগ্রহের ঘটনা ঘটেছে। এক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা জানা না থাকার ফলে পরীক্ষার ফলাফলের ভিন্নতা নিয়ে অনেক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম হয়েছে।

করোনা মহামারি মোকাবিলায় সরকার সবসময়ই আন্তরিক ও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার ইতোমধ্যে করোনা শনাক্তকরণের জন্য আরটি-পিসিআর ব্যয়বহুল ও আনুষঙ্গিক বিবেচনায় জটিল হলেও দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১টি হতে ৭৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র তৈরি করেছে (১০ জুলাই পর্যন্ত) যার মধ্যে ৪৭টি সরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৩০টি বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে। আমাদের মতো উন্নয়নশীল একটি দেশে এত কম সময়ের মধ্যে ১টি হতে ৭৭টি পরীক্ষাকেন্দ্রে উন্নিত করে পরীক্ষা সহজলভ্য করা সরকারের একটি বড় সাফল্য।

করোনা শনাক্ত পরীক্ষাসুবিধা জনগণের জন্য সহজলভ্য করার জন্য সরকারের সাথে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকেও সম্পৃক্ত করা হয়েছে এবং সামনে এই সংখ্যা আরও বাড়বে। একই সাথে কোভিড-১৯ এর যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দুই হাজার চিকিৎসক এবং সাড়ে পাচ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছে, আরও ৩৫০০ টেকনোলজিস্টের নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন। এছাড়াও ৪০০০ নার্স ও ২০০০ চিকিৎসকের নিয়োগ অপেক্ষাধীন আছে। করোনা মহামারি মোকাবিলায় ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ এবং চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী যারা কোভিড-১৯ মোকাবিলায় কাজ করছেন তাদের জন্য ৮৫০ কোটি টাকা বরাদ্দসহ সরকার এবার বাজেটে ২৯ হাজার ২৪৭ কোটি কোটি টাকা স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ দেয়।

আরটি-পিসিআর পরীক্ষাটি যদিও ব্যায়বহুল (প্রতিটি পরীক্ষায় খরচ ৩০০০-৩৫০০ টাকা) তবুও সরকার বিগত প্রায় চার মাস ধরে বিনামূল্যে সেবাটি প্রদান করে যাচ্ছিল, কিন্তু তার ফলে দেখা যায় যে, অনেক অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা হচ্ছিল, ফলে প্রকৃত রোগীরা যথাযথ সেবা হতে বঞ্চিত হচ্ছিল। এমনকি অনেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে পরীক্ষা করতে না পেরে ফিরে গেছেন। এর ফলশ্রুতিতে সরকার অতি সম্প্রতি হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য ২০০ টাকা এবং বাসায় হতে নমুনা সংগ্রহ করলে ৫০০ টাকা নির্ধারণ করে যা বর্তমান আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে অনেকটাই সহনশীল। এমনকি যারা বাসায় থেকে নমুনা দিতে চান তাদের জন্য নির্ধারিত ফি কেবল আর্থিকভাবে সাশ্রয়ীই নয়, সংক্রমণ প্রতিরোধেও কার্যকরি। কারণ কোনো রোগী যখন গণপরিবহন ব্যবহার করে পরীক্ষা করতে যান তখন তাদের যাতায়াত খরচ তো হয়ই, সাথে নিজে যদি আক্রান্ত না হয়ে থাকে তাহলে পরীক্ষা করতে যাওয়া অন্য রোগীর কাছ থেকে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। এমনকি পরীক্ষা করতে যাওয়া রোগী যদি করোনা দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে এবং পরীক্ষাকেন্দ্রে রোগীর কাছ থেকে অন্যান্যদের মাঝে রোগ সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়। সে বিবেচনায় সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। তবে সাধারণের জন্য ফি নির্ধারণ করলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা, দুস্থ ও গরিব রোগীদের জন্য পরীক্ষাটি পূর্বের ন্যায় বিনামূল্যে করা হচ্ছে।

আরটি-পিসিআরের সাথে আরেকটি আলোচিত ও আগ্রহের বিষয় হলো র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট ও র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট। গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ প্রথমে ঘোষণা দিয়েছিলেন তাদের র‌্যাপিড টেস্ট কিট স্বল্পমূল্যে ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে ফল পাওয়া যাবে এবং পাঁচ কোটি মানুষের পরীক্ষার ব্যবস্থা করবে। এই ঘোষণা সাধারণ মানুষকে চলমান বিপর্যয়ে আশাবাদী করে তোলে, যদিও পৃথিবীর অনেক কোম্পানিই তখন করোনার জন্য র‌্যাপিড টেস্ট কিট বাজারজাত শুরু করেছিলেন।

সে যাই হোক, দেশে র‌্যাপিড টেস্ট কিট তৈরি হবে সেটা অবশ্যই আমাদের জন্য গর্বের এবং যদি কার্যকর হয় তবে তা দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে, সেটা ভেবে সরকার উনাকে সকল ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখে এবং কাঁচামাল আমদানি সহজ করার জন্য বিদ্যমান আইন ও নীতিমালা পরিবর্তন করে কাঁচামাল আমদানিকে ত্বরান্বিত করে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করে। যেহেতু ‘র‌্যাপিড টেস্ট কিট’ চিকিৎসাবিজ্ঞানের সাথে জড়িত তাই বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও কিছু সাধারণ নিয়ম রয়েছে যেমন উনার গবেষণা প্রস্তাবনা বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে জমা দিয়ে পূর্বানুমোদন নিয়ে বাংলাদেশ ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্ধারিত Contract Research Organization (CRO) মাধ্যমে কিটের কার্যকারিতা পরীক্ষা সাপেক্ষে বাংলাদেশ ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন হতে অনুমোদন নিতে হবে। কিন্তু তিনি সবকিছু জানা সত্ত্বেও নিয়ম অনুযায়ী সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ না করে সংবাদ সম্মেলন করে কিটের উদ্বোধন করলেন এবং মিডিয়া শো করে জনগণকে বিভ্রান্ত করে তোলেন।

প্রথমে র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি, পরে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি কিটের কথা বলা হলেও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা চলমান থাকা অবস্থায় গণস্বাস্থ্য র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন কিট প্রত্যাহার করে নেয়। পরবর্তীতে র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট কিটও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে কার্যকারিতা প্রমাণে ব্যর্থ হয় যেখানে শুরুতে গণস্বাস্থ্য জনগণকে র‌্যাপিড টেস্ট কিটে শতভাগ সাফল্যের আশার বাণী শুনিয়েছিলেন। সেই সাথে কিছু ব্যক্তি ও দল গণস্বাস্থ্যের কিট নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য প্রদান করে যা জাতিকে প্রথমে বিভ্রান্ত ও পরে হতাশ করে। আশাকরি আগামী দিনে গণস্বাস্থ্য তাদের অ্যান্টিবডি কিটের দুর্বলতাগুলো কাটিয়ে এর কার্যকারিতা আরও বাড়াতে পারবে যাতে করে দেশের তৈরি অ্যান্টিবডি কিট ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদন লাভ করে।

বর্তমানে পৃথিবীর কয়েকটি কোম্পানি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি কিট বাজারজাত করছে। র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে কেউ যদি পজিটিভ হয় তাহলে বলা যাবে তিনি করোনায় আক্রান্ত। এখানেও ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট আসতে পারে, সেক্ষেত্রে যদি করোনার উপসর্গ থাকে কিন্তু অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ আসে তাহলে তার আরটি-পিসিআর করে নিশ্চিত করতে হবে।

গত ৯ মে ২০২০ সালে FDA প্রথম র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন প্রদান করে। গত ১৫ জুন ইন্ডিয়া কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ ইন্ডিয়য়ে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমোদন প্রদান করে যা ইতোমধ্যে ইন্ডিয়ার কয়েকটি রাজ্যে চালু হয়েছে। অপরদিকে অ্যান্টিবডি পরীক্ষা সাধারণত রোগীর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি পর্যবেক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না। কারো শরীরে অ্যান্টিবডির উপস্থিতি আক্রান্ত বা সুস্থ অবস্থাতেও থাকতে পারে। কাজেই অ্যান্টিবডির উপস্থিতি প্রমাণ করবে না যে তিনি সুস্থ আছেন, বা বর্তমানে আক্রান্ত আছেন। আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, জার্মান, জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, চীনসহ কিছু দেশ র‌্যাপিড অ্যান্টিবডি টেস্ট সার্ভিল্যান্স/সেরোপ্রিভিল্যান্স/গবেষণার জন্য শুরু করেছে।

র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দ্বারা স্বীকৃত নয় তথাপি আমাদের দেশের সামগ্রিক অবস্থা বিবেচনায়, হাসপাতালে রোগী ভর্তি, চিকিৎসা প্রসিডিউর, অপারেশনের ক্ষেত্রে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা অনুমোদন দেওয়া উচিত যাতে উপজেলা পর্যায়ে পর্যন্ত পরীক্ষা সহজলভ্য করা যায় কারণ আরটি-পিসিআরের ন্যায় এই পরীক্ষায় জটিলতা, খরচ (আনুমানিক ৩০০টাকা) ও সময় তুলনামূলক অনেক কম লাগবে এবং সাশ্রয়ী। আমাদের পরামর্শক কমিটি র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের সুপারিশ করেছে এবং মন্ত্রণালয়ও এ নিয়ে কাজ করছে। আশা করি অতিশীঘ্রই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন অ্যান্টিজেন কিট অনুমোদন পাবে। এছাড়াও গবেষণা/সার্ভিল্যন্স/সেরোপ্রিভিল্যান্সের জন্য অ্যান্টিবডি টেস্টও শুরু করা যায় তবে এ ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে যে অ্যান্টিবডি টেস্ট কখনো রোগ নির্ণয়ের কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

এই মহামারি চলাকালীনও বেসরকারি খাতের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রকাশ পেয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা সবসময় কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন। সরকারের নিকট প্রত্যাশা দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে যাতে আগামীতে কেউ দুর্নীতি করার সাহস না পায়। সরকার যখন আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে কোভিড-১৯ মোকাবিলা করছে এবং জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে তখন কিছু বিরোধী রাজনৈতিক দল কেবল জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে কেবল সরকারের সমালোচনাই করে যাচ্ছে যা জনগণ ও সম্মুখসারির যোদ্ধা চিকিৎসকদের বিভ্রান্ত করছে। আশাকরি মহামারি চলাকালীন সকল বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করে জনগণের পাশে দাঁড়াবে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও দৃঢ় নেতৃত্বে এ মহামারি মোকাবিলায় আমরা সফল হবো এ প্রত্যাশা করি।

লেখক : মহাসচিব, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)।

 

লেখাটি জাগো নিউজ পোর্টাল থেকে কপি করা হয়েছে।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক - তোফাজ্জল হোসেন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019