বরগুনায় বাঙ্গালী জাতির ঐতিহ্য লালন করছে ফুলবাগান

জয়যাত্রা ডট কম : 19/02/2021

এম আর অভি, বরগুনা প্রতিনিধি:
বাঙ্গালী জাতির মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য ও চেতনা লালন করছে বরগুনা জেলা পরিষদের ফুলবাগানটি। বরগুনা জেলা পরিষদের মূল ভবনের সামনে পশ্চিম উত্তর পাশে ফুল বাগানটির অবস্থান।
মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক নির্মিত জেলাপরিষদের এ ফুলবাগানটিতে রয়েছে (বাঙ্গালী জাতির স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি মুরাল)।
এছাড়াও এ বাগানে রয়েছে সাতটি রাস্তা যা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭-ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের ঐতিহ্য লালন করে। ফুলবাগানটির প্রবেশ পথ রয়েছে নয় ফুট চওড়া ও ভিতরে সবুজ , যা দিয়ে ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ ও লাল সবুজের বাংলাদেশের চেতনা লালীত হচ্ছে এ ফুলবাগানে।
এ ফুলবাগানটির মূলবেদী ষোলফুট ব্যাস যা (১৬ডিসেম্বর) বাঙ্গালী জাতির মহান বিজয় দিবসের ঐতিহ্য লালন করছে।
বর্তমানে ফুলবাগানটিতে গোলাপ,ডালিয়া গাঁধা, চম্পাা, চামেলী ও রজনীগন্ধার ফুলের ফুটন্ত অপূর্ব সমারহ বিরাজ করছে। ফুলে-ফুলে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভোমরারা। ভোমরার গুনগুন শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো জেলাপরিষদ প্রাঙ্গণ।
বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন এবং জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওয়াহেদুর রহমানসহ নির্বাচিত সদস্যদের নিবির পর্যবেক্ষনে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক নির্মিত ফুলবাগানটি আরও মনোমুগ্ধকর হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি এ ফুলবাগানে লালিত হচ্ছে বাঙ্গালী জাতির মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা।
অপরদিকে ফুটন্ত ফুলের সমারোহে ”ফুল শুকে ফুল দেখে হবিনে ব্যাকুল, ফুল ভালোবেসে আমি করেছি যে ভুল! প্রভাতে ফুটে ফুল সাঁজে যায় ঝরে ” মাঝ খানে মিছেমিছি আমি যাই মরে” জননন্দিত ব্যান্ড শিল্পী জেমস এর এ বিখ্যাত গানের পংতিতে বাঙ্গালী হ্রদয়কে আকৃষ্ট করছে।
জেলাপরিষদের সহকারি প্রকৌশলী শহিদুল হকের তত্তাবধানে ও অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিবিড় পরিচর্যায় মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক নির্মিত ফুলবাগানটির অস্তিত ও ঐতিহ্য বাঙ্গালী হ্রদয়ে অটুট থাকবে চিরকাল।
গত ১৮- ১৯ অর্থবছরে বর্তমান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন ও জেলা পরিষদের তৎকালীন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম এবং সহকারি প্রকৌশলী মো.শহিদুল আলম পরিকল্পনায় এ মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক ফুলবাগান নির্মানের উদ্যোগ নিয়ে তা নিখুঁত ভাবে সম্পূর্ন রুপে বাস্তবায়ন করা হয়।
জেলা পরিষদের সাঁটলিপিকার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এ বাগানে প্রায় ১০ প্রজাতির ফুলের গাছ আছে। এ ফুলবাগান নিয়ে মিথ্যাভাবে লেখালেখি হয়েছিল। জেলাপরিষদের সকলের সার্বিক সহযোগীতায় এখানে অতি অল্প সময়ের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক একটি ফুলবাগান নির্মানের কাজ শেষ হয়।
তবে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক এ ফুল বাগানটি নিয়ে তথাকথিতরা নানা অপপ্রচার চালালেও শেষ পর্যন্ত ঐ ফুলবাগানের ফুলগাছ ও ফুলের অস্তিত এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ লালন দেখে মুগ্ধ জেলা পরিষদে সেবা নিতে আসা সকল মানুষ।
বুধবার সকালে প্রতিবেদক মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ভিত্তিক বরগুনা জেলা পরিষদের ফুলবাগানের ছবি তুলতে গেলে। হঠাৎ মূল ভবনের সামনে থেকে জেলা পরিষদের প্রধান সহকারি হারুন অর রশিদ মৃধু হেসে বলে বাগানে ফুল নেই, গাছ নেই এমন কথা আবার পত্রিকায় লিখেন না যেন। উত্তরে প্রতিবেদক মিষ্ঠি হেসে বলেন, যারা চুন খেয়ে মুখ পোড়ে ,তারা দধি দেখলোও ভয় পায়। আমাদের সংবাদ পত্রে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করা হয়। এখানে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই।




সর্বশেষ সংবাদ

সম্পাদক - তোফাজ্জল হোসেন
Mob : 01712 522087
ই- মেইল : [email protected]
Address : 125, New Kakrail Road, Shantinagar Plaza (5th Floor - B), Dhaka 1000
Tel : 88 02 8331019