Posted on

গোবিন্দগঞ্জে বিধবাকে গণধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ মামলায় আটক যুবকের স্বীকারোক্তি

শামীম রেজা ডাফরুল গোবিন্দগঞ্জ(গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে রাতের আঁধারে অপহরণ করে এক বিধবাকে (৩৫) পালাক্রমে গণধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ অভিযোগের মামলায় হোসাইন শেখ (২৭) নামের এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। সে উপজেলার হাউসী পাড়া গ্রামের মোস্তাক আহমেদের ছেলে।
পুলিশ সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে গোবিন্দগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, আমলী আদালত গোবিন্দগঞ্জ (চৌকি) আদালতে আসামীকে সোপর্দ করে।
বৈরাগীর হাট পুলিশ তদস্তকেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিলন চ্যাটার্জী জানান, আটক আসামী হোসাইন শেখকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং সে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে।
এর আগে বৈরাগীর হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৪ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে পাশ্ববর্তী বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার ময়দানহাট্টা ইউনিয়নের হাটগামী গ্রাম থেকে আসামী হোসাইন শেখকে গ্রেফতার করে ।
থানা সূত্রে জানা যায়, ধর্ষণের শিকার ওই বিধবা গত ১ এপ্রিল দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো তিনজন মোট ৫ জনকে আসামী করে গোবিন্দগঞ্জ থানায় ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ মামলা দায়ের করে। মামলা নং-০২। অজ্ঞাতনামা আসামীদের মধ্যে একজন এই হোসাইন শেখ।
মামলা ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, সাপমারা ইউনিয়নের মেরী গ্রামের মরহুম আনোয়ার হোসেন প্রায় একযুগ আগে বিয়ে করে কৌচাকৃষ্ণপুর গ্রামের ওই বিধবাকে। স্বামীর মৃত্যুর পর থেকে ওই বিধবা কৌচাকৃষ্ণপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করত। ঘটনার রাতে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘরের বাহির হলে ধর্ষক হাউসীপাড়া গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে বাবু মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৫) তাকে মুখ চেপে ধরে অপহরণ ও ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরে মুখ ঢেকে অপরিচিত আরো তিনজন তাকে ধর্ষণ করে।
এ ঘটনায় আসামীদের বিরুদ্ধে ৮(২) ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন; তৎসহ ৯(৩) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধারায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলা নম্বর ২।