লিজ নেওয়া জমি বিক্রয়ের অভিযোগ

সুলতান আহমেদ,নেত্রকোণা প্রতিনিধি : নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার দুর্গাপুর (মোক্তারপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ ঢালী, পিতা- আব্দুল মালেক ঢালী চাষাবাদ করার জন্য ১ (এক) একর সরকারি খাস জমি চাষাবাদের জন্য আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ জুন ২০০১ তারিখে সরকার কর্তৃক বন্দোবস্ত রেজিষ্ট্রিমূলে সম্পন্ন হয়। ভূমিটি চাষাবাদের খাস ভূমি হিসেবেই আব্দুর রশিদ ঢালীকে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়। বন্দোবস্ত জমিতে নিয়মিত চাষাবাদ করে আসছিলেন এবং নিয়মিত সরকারের বিধি মোতাবেক ভূমি কর পরিশোধ করে আসছেন।
এরই মধ্যে জমির মালিক ২০১৫ সালে হজ্ব পালনে যাওয়ার সময় মো: আব্দুল আজি ঢালীকে চাষাবাদ করার জন্য দিয়ে যান। কিন্তু জমির প্রকৃত মালিক হজ্ব পালনরত অবস্থার সুযোগ নিয়ে মো: আব্দুল আজিজ ঢালী ও বিপ্লব মজুমদার মিলে জনপ্রতি প্রায় ৫ লক্ষ টাকা নিয়ে অন্যত্র জমি দখল দিয়ে দেন। হজ্ব শেষে যখন প্রকৃত মালিক এ অবস্থা দেখতে পান এবং জানেন তখন অনেকেই অবৈধভাবে চাষাবাদের ভূমির উপর ঘর-বাড়ি তৈরী করে নিয়েছেন। তিনি একজন নাগরিক হিসেবে ন্যায় বিচারের জন্য দুর্গাপুরের ভূমি অফিসের শরাপন্ন হলে সার্ভেয়ার মো: সেলিম শেখ বিষয়টিকে অন্যভাবে প্রভাবিত করেন; যা কিনা দু:খজনক। প্রকৃত মালিক আব্দুর রশিদ ঢালীকে যখন সরকার কর্তৃক বন্দোবস্ত দেওয়া হয় তখন যথা নিয়মে সরকারের বিধি মোতাবেক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই তখনকার ভূমি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা সকল কার্য সম্পন্ন করে ০১(এক) একর ভূমি আব্দুর রশিদ ঢালীকে বন্দোবস্ত প্রদান করেন এবং প্রকৃত মালিক আব্দুর রশিদ ঢালী আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই জমি রেজিষ্ট্রি সম্পন্ন করেন। তেমনিভাবে প্রকৃত মালিক ভূমির মালিকানা ও দখলদার ছিলেন এবং আছেন ।
বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে এখন মামলা পর্যন্ত গড়িয়েছে। প্রকৃত মালিক আব্দুর রশিদ ঢালী প্রত্যাশা করেন তিনি ন্যায় বিচার পাবেন এবং ভূমিতে বসবাসরত অবৈধ স্থাপনাকারীদেরকে উচ্ছেদ করে আইনের আওতায় এনে বিচারের ব্যবস্থা হবে এবং তিনি বন্দোবস্ত ভূমিতে চাষাবাদ করতে পারবেন।