অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শুটিং করতে গিয়ে জ্ঞান হারান কারিনা

বিনোদন ডেস্ক:
বলিউডের অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের লেখা বই ‘প্রেগন্যান্সি বাইবেল’। দুই পুত্র সন্তানের মা নিজের সন্তান ধারণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন এই বইয়ে। কারিনা তার মতো আরও অনেক হবু মায়ের জন্য একাধিক পরামর্শও দিয়েছেন দু’মলাটের মাঝখানে। বলিউডের এই অভিনেত্রী যেভাবে মাতৃত্ব লাভের আনন্দের অনুভূতিগুলো তুলে ধরেছেন, ঠিক সেভাবেই সমস্যার কথাও বলেছেন।

তিনি অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ‘লাল সিংহ চড্ডা’ ছবির শুটিং করেছেন। তাছাড়া একাধিক ফটোশুট করেছেন। বিস্তারিত তথ্য না দিলেও এক দিনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন কারিনা। ফটোশুটে গিয়ে সেটেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন এই অভিনেত্রী।

বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন,‘লোকেরা মনে করে খ্যাতনামাদের ক্ষেত্রে সবকিছু অন্য রকম হয়। তারা সন্তানসম্ভবা অবস্থাতেও জৌলুসময় বলে ধারণা তাদের। কিন্তু আদৌ সে রকম নয়। গোড়ার দিকে আমিও চেষ্টা করেছি নিজেকে সুন্দর করে রাখার। বাইরে বেরোলেও সেটাই মাথায় রাখতাম। কিন্তু আমি নিজের মনে সৌন্দর্য অনুভব করিনি। সন্তানসম্ভবা থাকা অবস্থায় জৌলুস থাকে কীভাবে? অনেকটা ওজন বেড়ে গিয়েছিল তখন। শরীরে নানা রকমের দাগ ছিল।

প্রতিদিন সন্ধেবেলা ৫টার মধ্যে ঘুম পেয়ে যেত। তাই এই বিষয়ে যা যা এই বইতে আমি লিখেছি, তা সত্যি। আশা করি, বই পড়ে আপনার মুখে হাসি ফুটবে। একই সঙ্গে সান্ত্বনাও পাবেন।’ কারিনা কাপুরের লেখা বই ‘প্রেগন্যান্সি বাইবেল’। দুই পুত্রসন্তানের মা নিজের সন্তান ধারণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লিখেছেন এই বইয়ে। কারিনা তার মতো আরও অনেক হবু মায়ের জন্য একাধিক পরামর্শও দিয়েছেন দু’মলাটের মাঝখানে। বলিউডের এই অভিনেত্রী যেভাবে মাতৃত্ব লাভের আনন্দের অনুভূতিগুলো তুলে ধরেছেন, ঠিক সেভাবেই সমস্যার কথাও বলেছেন।

তিনি অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ‘লাল সিংহ চড্ডা’ ছবির শুটিং করেছেন। তাছাড়া একাধিক ফটোশুট করেছেন। বিস্তারিত তথ্য না দিলেও এক দিনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন কারিনা। ফটোশুটে গিয়ে সেটেই অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী।

বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন,‘লোকেরা মনে করে খ্যাতনামাদের ক্ষেত্রে সবকিছু অন্য রকম হয়। তারা সন্তানসম্ভবা অবস্থাতেও জৌলুসময় বলে ধারণা তাদের। কিন্তু আদৌ সে রকম নয়। গোড়ার দিকে আমিও চেষ্টা করেছি নিজেকে সুন্দর করে রাখার। বাইরে বেরোলেও সেটাই মাথায় রাখতাম। কিন্তু আমি নিজের মনে সৌন্দর্য অনুভব করিনি। সন্তানসম্ভবা থাকা অবস্থায় জৌলুস থাকে কীভাবে? অনেকটা ওজন বেড়ে গিয়েছিল তখন। শরীরে নানা রকমের দাগ ছিল। প্রতিদিন সন্ধেবেলা ৫টার মধ্যে ঘুম পেয়ে যেত। তাই এই বিষয়ে যা যা এই বইতে আমি লিখেছি, তা সত্যি। আশা করি,বই পড়ে আপনার মুখে হাসি ফুটবে। একই সঙ্গে সান্ত্বনাও পাবেন।’