চয়নিকা চৌধুরীকে নিয়ে বিশেষ বার্তা দিলেন পরীমণি

বিনোদন ডেস্ক:
বাংলাদেশের বহুল আলোচিত নারী ম্যাগাজিন পাক্ষিক অনন্যা প্রতি বছর বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজে আলোচিত ও আলোকিত নারীদের সম্মাননায় ১০ জন কৃতি নারীকে সম্মাননা প্রদান করে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হয়নি। অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননার ২৭ তম এই আসরে সম্মাননা পেয়েছেন জনপ্রিয় নাট্যনির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী।

এই নির্মাতাকে মা হিসেবে সম্বোধন করেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। তাদের মধ্যে রয়েছে মা-মেয়ের মতোই স্নেহ, ভালোবাসা, সম্মান ও নির্ভরশীলতা। মায়ের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পরী। ফেসবুক স্ট্যাটাসে মা’কে নিয়ে লিখেছেন আবেগঘন কিছু কথা।
মা চয়নিকার উদ্দেশ্যে পরীর সেই বিশেষ বার্তাটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

‘তোমাকে নিয়ে অনেক গুছিয়ে কী আমি কখনোই লিখতে পারব মা! এটা কি আদৌ সম্ভব বলো তো! একদমই না।
না পারি অনেক ঘটা করে তোমাকে অভিনন্দন করতে, না পারি অনেক যত্নে তোমায় ভালোবাসি বলতে……উল্টো যতো দুঃখ আছে, জ্বালা আছে, অকারণে অভিমান, শুধু শুধু রাগ, অসময়ে শতশত আবদার আমার, এসবের পুরোটাই আমি তোমাকে কতো দারুণভাবে দিতে পারি দেখ!

আমার বোন অনুলেখা সেদিন কি অদ্ভুত সুন্দর করে তোমাকে তার গভীর অনুভুতিগুলো লিখে জানাল! সেদিন আমিও ভাবলাম এবার আমিও এত এত এত মনের কথা তোমায় লিখে দিতে পারবো। হলোই নাহ!
অনেক খুশিতে আমার কান্না পায়। আমি কাঁদি। সেদিনও কেঁদেছিলাম তোমাকে জিততে দেখে, এরকম আরও সম্মানিত হবে তুমি আর আমি তোমার সবচেয়ে খুশি বাচ্চা হয়ে বারবার খুশিতে চোখ ভেজাবো।

তুমিই অনন্যা মা। তুমি একজনই #চয়নিকা_চৌধুরী।’পরীর সেই পোস্টটি নিজের ওয়ালে শেয়ার দিয়ে চয়নিকা চৌধুরী লিখেছেন- ‘আমি কী উত্তর দেবো? কতক্ষণ চুপচাপ বসেই ছিলাম। রুদ্র হক আমাকে ফোন এ বলল, এই আবেগময় লেখার কথা। পড়ার পর শুধু গালটাই ভিজে যাচ্ছে! এত্ত সুন্দর একটা লেখা! কাছে থাকলে তাও জড়িয়েই ধরতাম। এমন এক আনন্দের সময় কয়জনই বা লিখতে পারে? লেখে? এমন করেই শুধু ভালোবেসো তুমি। অনেক ভালোবাসা। প্রার্থনা করি প্রতিদিন তুমি যেন হাসিখুশি আর আনন্দে থাকো।’
চয়নিকা চৌধুরী ছাড়াও এ বছর আরও যারা অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা পেয়েছেন তারা হলেন- কামরুন্নাহার জাফর (রাজনীতি ক্যাটাগরিতে), শাহীদা বেগম (উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে), লাফিফা জামাল (প্রযুক্তি ক্যাটাগরিতে), অল্পনা রানী (কৃষি ক্যাটাগরিতে), স্বপ্না ভৌমিক (কর্পোরেট পেশা ক্যাটাগরিতে), সেঁজুতি সাহা (বিজ্ঞান ক্যাটাগরিতে), তাসনুভা আনান (অধিকারকর্মী ক্যাটাগরিতে), জাহানারা আলম (ক্রীড়া ক্যাটাগরিতে), রূপন্তী চৌধুরী (লোক-ঐতিহ্য ক্যাটাগরিতে)।