নিউ জিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ধারাবাহিক বোলিংয়ে নিউ জিল্যান্ডকে চাপে রেখেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদ শুরুতেই অধিনায়ক টম লাথামকে ফেরানোর পর ইবাদত পেয়েছেন ডেভন কনওয়ের উইকেট। প্রথম ইনিংসে ভালো করতে না পারলেও ইবাদত এই ইনিংসে নিজের সামর্থ্য দেখাচ্ছেন।

আলগা বোলিং না করায় কিউইরা রানও তুলতে পারছেন না। নিয়ন্ত্রিত লাইন ও লেন্থ ঠিক রেখে বল করে যাচ্ছেন পেসার ও স্পিনার। উইকেট আরো একটি পেতে পারত বাংলাদেশ। মিরাজের বলে ইয়ং ৩১ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন। লিটনের গ্লাভসে বল জমেনি।

রাউন্ড দ্য উইকেট থেকে লাথামকে আক্রমণ করছিলেন তাসকিন। অ্যাঙ্গেল করে বল ভেতরে ঢোকানোর চেষ্টা ছিল। তাতে সফলও হলেন। বাড়তি গতির সঙ্গে বাউন্সার দেওয়া এক বলে লাথাম ডিফেন্স করতে গিয়ে বল উইকেটে টেনে এনে বোল্ড হন। এরপর ডেভন কনওয়ে ও ইয়ং মিলে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। কিন্তু বাংলাদেশের আক্রমণ থেমে থাকেনি।

উইকেটের দুই প্রান্ত থেকে ভালো বোলিং করেন বোলাররা। ইবাদত পেয়ে যান সাফল্য। ১৪০ কিমিতে ধারাবাহিক বোলিং করে উইকেট আদায় করে নেন। কনওয়ের ব্যাট-প্যাডে আঘাত করে বল যায় গালিতে। বালাদেশের আবেদনে আম্পায়ার নট আউট দেন। রিভিউ নিয়ে বাংলাদেশ পেয়ে যায় দ্বিতীয় সাফল্য।

চতুর্থ দিনের সকালের সেশন দুই দল ভাগাভাগি করলো। প্রথম ঘণ্টায় বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে নূন্যতম চিড় ধরাতে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। অথচ দ্বিতীয় ঘণ্টায় মাত্র ১৩ রান তুলতেই এলোমেলো বাংলাদেশ। দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে লড়াইয়ে থাকলো স্বাগতিকরাও। তাইতো প্রথম সেশনে দুই দল ‘সমানে সমান।’

আগের দিনের ৪০১ রানের সঙ্গে আজ ৫৭ রান যোগ করে ৪৫৮ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। মিরাজ ৪৭ ও ইয়াসির ২৬ রানে ফেরেন সাজঘরে। বাংলাদেশ লিড পেয়েছে ১৩০ রান। তাতে বাড়ছে লড়াইয়ের আশা।