সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি, : বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি
অনুযায়ী গাইবান্ধার সাঘাটায় ২টি মরাখাল খননের কাজ শুরু করা হয়েছে।
দীর্ঘ কয়েক যুগেও উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের কৈচড়া খাল ও পদুমশহর
ইউনিয়নের চকদাতেয়া খাল খনন কিংবা পুণ্য খনন না করায় খাল ২টি ভরাট হয়ে
মরাখালে পরিণত হয়েছিলো। খাল ২টি কৃষকের কোন কাজে আসতো না।
বর্তমান
সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২৩ লাখ ২১ হাজার টাকা ব্যয়ে
কামালের পাড়া ইউনিয়নের কৈচড়া খাল ও ২৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা ব্যয়ে
পদুমশহর ইউনিয়নের চকদাতেয়া খাল খননের কাজ হয়েছে শুরু করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এস্কেভেটর মেশিন (ভেকু) ও শ্রমিক দ্বারা খাল
২টির খননের কাজ পুরোদমে চলছে। কৈচড়া গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম
আহমেদ বলেন, কৈচড়া খালটি খনন হলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহ হবে। ফলে
অল্পপানিতে খালের দুই পাশের নিচু জমি তলিয়ে যাবে না।
এতে করে কৃষকের
ফসলের কোন ক্ষতি হবে না। তাছাড়াও শুষ্ক মৌশুমে খালের দুই পাশের কৃষকরা
খাল থেকে পানি সেচের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করতে পারবে। কামালের পাড়া ইউপি
চেয়ারম্যান সাহিনুর ইসলাম সাজু বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী খাল খননের কাজ
দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
খালটি খনন হলে আমার ইউনিয়নের কৃষকের ফসল
উৎপাদনে সহায়ক হবে। তিনি আরো বলেন সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ
আশরাফুল কবীর, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম ও
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান খাল খনন কাজ নিয়মিত
তদারকি ও পরিদর্শন করে আসছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক বিএনপি নেতা
বলেন, একটি কুচক্রী মহল বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য খাল
খনন কর্মসূচি ব্যহত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সাঘাটা উপজেলা প্রকল্প
বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী জানান, নীতিমালা অনুযায়ী খাল খনন কাজের
শতকরা ৫০ ভাগ শ্রমিক দ্বারা বাকি ৫০ ভাগ এস্কেভেটর মেশিন দ্বারা করার
কথা। সে মোতাবেক কৈচড়া খালে ৫৪ জন শ্রমিক ও চকদাতেয়া খালে ৫৯ জন শ্রমিক
দ্বারা কাজ করানো হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল কবীর
বলেন আমি খাল খনন কাজ পরিদর্শন করেছি। খাল ২টি খনন হলে এলাকাবাসীর অনেক
কাজে আসবে।













