নিজস্ব প্রতিবেদক : চীন সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলোইস জভিংগি। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পরবর্তী বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতের শুরুতে আলোইস জভিংগি বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈশ্বিক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের মতো ঝুঁকিপূর্ণ ডেল্টা অঞ্চলের জন্য সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, “পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।”
তিনি আরও যোগ করেন, প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক পরিবেশ সুরক্ষায় মাঠপর্যায়ে বড় কাজ চলছে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বিশেষ কর সুবিধা দেওয়া হয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পূরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
জবাবে আলোইস জভিংগি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বড় উদ্যোগ বৈশ্বিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
তিনি বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারী ও অর্থায়নকারী সংস্থাগুলোর আগ্রহ বাড়াবে বলেও বিশেষ মন্তব্য করেন।
তিনি বাংলাদেশের উত্থাপিত সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।













